Tv বা টেলিভিশন মূলত গবেষণায় আসে ১৮ শতকের দিকে। তবে এটি বাস্তবে রূপ দিতে দিতে প্রায় ২০ শতক পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

First tv with inventor

২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় টেলিভিশন নিয়ে গবেষণা অনেকটা বন্ধই হয়ে যায়। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে টেলিভিশন ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে দ্রুত উন্নতি হতে থাকে টেলিভিশন।

জনসাধারনের জন্য বাজারে আসা প্রথম দিকের টিভি সেট

প্রথম দিকে ভেকুয়াম টিউব দিয়েই টেলিভিশন সার্কিট তৈরী করা হতো, ফলে ওজনে ভারী এবং আকারে হতো বেশ বড়। মজার বিষয় হচ্ছে টেলিভিশন বড় থাকলেও পর্দা বা স্ক্রিন ছিল বর্তমান ট্যাবের (ট্যাবলেট পিসি) সমান।

পরবর্তীতে সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস আবিষ্কার হলে টেলিভিশন দ্রুত উন্নত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আবিষ্কার হয় বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায় CRT ( cathode ray tube) টেলিভিশন। মনে রাখতে হবে এগুলো সবই সাদা কালো টেলিভিশনের কথা বলছি।

এরপর রঙিন টেলিভিশন আসলে মানুষ ভাবলো আর কোনো চাহিদা থাকলে না অর্থাৎ টেলিভিশন নিয়ে আর কি গবেষণা বাকি আছে।

প্রথম দিকের কালার টিভি

কিন্তু গবেষকরা আস্তে আস্তে তখন পর্দা বড় করার কথা ভাবছে। বিখ্যাত sony কোম্পানি নতুন নতুন মডেল বাজারে আনছে, তার একটি হলো “ট্রিনিটন”- এটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল।

sony trinitron tv

এবার শুরু হলো চ্যাপ্টা করার পালা। প্রথমে সেমি ফ্লাট পরে ফ্লাট টিভির পিকচার টিউব বাজারে আসে। এর আগের টিউবের সামনে দিয়ে কার্ব বা বাকা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় প্রজেকশন টিভি আসে, একে একে আসলো এলসিডি টিভি! LCD Tv আসার পরই মানুষ ভাবলো দিল্লি আভি দূরহে। এখন আরে আধুনিক টিভি আবিষ্কার হবে। হলোও তাই, আসলো LED tv, Oled tv, Qled tv এযেন এক অন্য জগত। টিভির জগতে থেমে নেই আবিষ্কার। হয়তো Qled ই শেষ নয়, আসবে আরো নতুন প্রযুক্তি।

আর সেই ছোট পর্দা বড় মেশিন এখন নেই, এখন ছোট একটা ইলেকট্রনিকস বোর্ড আর বিশাল ৪০/৫০ ইঞ্চ পর্দা! ঝকঝকে বিশাল পর্দার টিভি দেখার মজাই আলাদা।

(বি:দ্র- সকল ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

লিখেছেন- মাহী মহিউদ্দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *