নদীর স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, স্রোতের পানিতে প্লাবিত কিছু গ্রাম

0
19

নদীর পানির স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে যানজট, স্রোতের পানিতে প্লাবিত কিছু নতুন গ্রাম

বর্ষা এলেই যেনো পদ্মা আর যমুনা নদীতে পানির তিব্রতা বেড়ে যায় কয়েক গুন। so
ব্যাতিক্রম হয়নি এবারও। but পদ্মার পানি বাড়ার সঙে বেড়েছে তীব্র স্রোত, যাত্রীবাহি নৌযান সহ ফেরি চলাচল করতে হচ্ছে সমস্যা।
শিমুলিয়া বাংলাবাজার রুট বন্ধ আবার অন্যদিকে ছুটির দিন হওয়াতে যানবাহনের ভীর লেগে আছে এই ঘাটে।

Because দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলের যাত্রী সাধারন ও গাড়ি যান গুলি পরেছে দূর্ভোগে।
but ঘাট পরিদর্শক সুত্রে জানা যায় ভীর সামলাতে and যানবাহন ও যানজট নিরসনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
so তীব্র স্রোতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে পন্টুনে উঠে যাওয়ার কারনে ঘন ঘন পন্টুন সরানো হচ্ছে and
স্রোতের ধাক্কায় পুরোনো ফেরি গুলি অচল বা অচলের মতই হয়ে যাচ্ছে যার দরুন ফেরির সংখ্যা ক্রমেই কমে আসছে।
and পাটুরিয়া রুটে ১৯টি ফেরি চালু রয়েছে যার আওতায় ৫ শতাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন। and
অন্যদিকে পদ্মা নদি আর যমুনা নদিতে স্রোতের টানে পানি বেড়েই চলেছে। so
এতে প্লাবিত হচ্ছে চরাঞ্চল নিম্নাঞ্চল সব নদির তীর ঘেষা গ্রাম সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম।

Because একই সাথে ফসলাদি জমি বা বাসস্থান সহ প্লাবিত হয়ে পানি ঢুকে পরছে পার্শ্ববর্তী এলাকা গুলিতেও। and
কোথাও কোথাও ভাঙন দেখা গিয়েছে যার দরুন বসত ভিটা হারাচ্ছে। so
কোনো এলাকায় বাধ রক্ষার্থে বালুর বস্তা ফালালেও খুব একটা ফলাফল দেখেনি কেউ। but
এই ভাঙন নিয়ে কয়েক উপজেলা ঘুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক কিছু কাজ দেখা গেছে। and
নতুন করে প্লাবিত হওয়া গ্রামে পানিবন্দি হয়ে আছেন কয়েক হাজার গ্রাম বাসী। so

মুলত উজানের ঢল আর ভারী বর্ষনের

মুলত উজানের ঢল আর ভারী বর্ষনের কারনে এই পানির স্রোত যমুনা নদিতে বিপদসীমার উপর দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে।
so খাদ্য আর পানির সংকটে থাকলেও সরকারি কিংবা বেসরকারি ভাবে কোনো ভাবেই সহায়তা পাননি স্থানীয় গ্রামবাসি।
so তাই এতে গবাদি পশু সহ গ্রামের মানুষ কোনো রকমে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন সবাই।

and খোজ নিয়ে জানা যায় যমুনা ও পদ্মার পাড়বর্তী বেশ কয়েকটি জেলায় ভাঙনে বহু ভুমি জমি ভিটা নদিগর্ভে হারিয়ে গেছে।
but দুই এক জেলায় ত্রানের ব্যাবস্থা থাকলেও অধিকাংশ গ্রাম বা জেলায় নেই এই ব্যাবস্থা।
Because এর মধ্যে টাঙাইল জেলাতে মসজিদ দোকান ফসলাদি সহ বিভিন্ন স্থাপনা নদির স্রোতে হারিয়ে গেছে।
and অন্যদিকে খাগড়াছড়ি জেলায় একটু ভারী কিংবা মাঝারি বৃষ্টিতে
মাটি কিছু রাস্তা ডুবে যায় যাতে গ্রামের মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছে প্রতিদিন।

so বৃষ্টি হলেই নালাতে পানি জমাট বেধে উপচে পরে রাস্তাও ডুবে যায় and
সেই সাথে খালের পানিও মিশ্রিত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পরছে, and পানির সাথে ছড়াচ্ছে বিভিন্ন ময়লা আবর্জনা।
but যাদের বাড়ি একটু নিচু স্তরে তাদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে বহুগুনে। so
ময়লা আবর্জনা সাথে নিয়েই দিন কাটছে এমন ভুক্তভোগীদের। so এহেন পরিস্থিতিত পরে তাদের
একটাই আশা সরকারি হোক বা বেসরকারি, সামাজিক কেউ বা ব্যাক্তি বিশেষ কেউ এসে অন্তত সাহায্য করুক এদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here