বন্যার পানি লোকালয়ে, পানির চাপে গ্রাম ভাসছে উত্তরাঞ্চল এলাকা

0
10

বন্যার পানি লোকালয়ে, পানির চাপে গ্রাম ভাসছে

উত্তরাঞ্চল এলাকার বন্যার পানি বিস্তার ছড়াচ্ছে চতুর্দিকেই সেই সাথে রয়েছে পদ্মা নদীর তীব্র স্রোত। so
বন্যার আর নদীর পানি মিশ্রিত হয়ে বাধ পার হয়ে পানি চলে আসছে গ্রামঞ্চল সহ আশপাশের বিভিন্ন লোকালয় গুলিতে।
and স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক প্রতিরক্ষা বাধ দিলেও সেসব মানছেনা পানির স্রোত। Because
বন্যার পানি প্রবেশের সাথে বেড়ে গেছে মাটি ও ভূমি ভাঙন যার দরুন ভূমিহীন হওয়ার সাথে সাথে মানুষ হয়ে যাচ্ছে পানিবন্দি। and
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে জলাশয়ের মতই চারিপাশ ভরে গেছে so
মাঝখানে দ্বীপের মত কোনো উচু স্থানে কোনো রকমে মানবেতর দিন পার করছেন পানির কারনে বন্দী হওয়া এসব মানুষ। and
বর্ষার দিন তার উপর বদ্দ পানিতে বর্জ্য ময়লা স্তুপ থাকায় নিত্য জন্ম নিচ্ছে মশা।

একদিকে পানির তীব্র প্রকোপ অন্যদিকে মশা বেড়ে যাওয়ার মত সমস্যা হচ্ছে। and
এছাড়াও পানিবন্দি মানুষের খাবার ও বিশুদ্ধ পানি পেতে বেশ সমস্যা হচ্ছে।
কোথাও একই এলাকার একটি নলকুপ পানিতে তলিয়ে গেছে। but
ব্যাবস্থা নেই রান্না করার মত স্থানের কিংবা শুকনা খাবার আনার মত ব্যাবস্থা। so
বন্যার পানিতে ভেসে গেছে সাজানো ঘর, পানির নিচে তলিয়ে আছে ফসলি ধানি জমিন সহ উৎপাদিত হওয়া ফসল।

পদ্মার পানি ক্রমাগত বেড়েই চলছে যার দরুন ফরিদপুর জেলার

and পদ্মার পানি ক্রমাগত বেড়েই চলছে যার দরুন ফরিদপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয় Because
দ্রুত সময়ে পানি বেড়ে যাওয়ার সঙেই একেক গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। and
পানির স্রোতের কারনে Because ফরিদপুর সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে
ফসলি জমি ও সবজি ক্ষেত সহ অন্তত ৩০’টি গ্রাম পানিবন্দি হয়েছে। so
যার দরুন তীরবর্তী এলাকার ও প্লাবিত এলাকার মানুষের জন্য এসেছে এক দুর্ভোগ।

বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় Because এক গ্রামের সাথেই বন্ধ হয়ে আছে অন্য গ্রামের যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যাবস্থা। and
অন্যদিকে পদ্মা নদীতে পানি বাড়ার কারনে তীব্র স্রোত ও ঢেউ এর কারনে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে but
ফেরি and স্পিড বোর্ড. so উপায়ন্তর না দেখে লঞ্চের উপর ঝুকছে মানুষ। so
বি আই ডব্লিউ টি সি থেকে জানা যায় শিমুলিয়া ও আলুবাজার ও মাঝিরঘাট সমুহে এই রুটে মোট ৮৭’টি লঞ্চ চালু রয়েছে।

so বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফেরি চালু হবে। and
পদ্মা নদির বন্যার পানি ফরিদপুর সদর এলাকায় বিপদসীমা অতিক্রম করেছে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বেশি। and
গত সপ্তাহে আবহাওয়া অফিস থেকে এই সপ্তাহে বন্যা হওয়ার আগাম আভাস দিয়েছিলো
সেই সাথে গঙা ও তিস্তা Because নদী সহ পদ্মা নদীর পানির আগমন বেড়েছে।

Because এতে আমন ধানের ক্ষেত পাট ক্ষেত সহ মরিচ বাগান পানের বরজ ইত্যাদি মিলে
অনেক জমিন ডুবে গেছে পদ্মার পানি বাড়ার সাথে পানি বেড়ে তলাচ্ছে আশপাশের বহু এলাকা। and
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দুই ইউনিয়নে ডুবন্ত হয়ে আছে অন্তত ৩৭ টি গ্রাম। so
এতে ঘরবন্দি হয়ে আছে প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ। অনেকে ঘর প্লাবিত হয়ে যাওয়ার কারনে আশ্রয় নিয়েছে
উঁচু স্থাপনা কিংবা স্কুল সহ আশ্রয়ন কোনো প্রকল্পে। Because পশুখাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পরেছেন এসব মানুষ।
so কোমর বা হাটু অব্দি পানিতে ভিজে যাওয়া মানুষ দাবী করেছেন তাদের কোনো সহযোগিতা করার জন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here